প্রজাপতি প্রজাপতি
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি আঁকাবাঁকা।।
পদ্মার ঢেউ রে–
মোর শূণ্য হৃদয় পদ্ম নিয়ে যা যারে
এই পদ্মে ছিল রে যার রাঙ্গা পা
আমি হারায়েছি তা’রে ॥
শুক্নো পাতার নুপুর পায়ে
নাচিছে ঘূর্ণী বায়।
জল-তরঙ্গে ঝিল্মিল্ ঝিল্মিল্
ঢেউ তুলে সে যায়।।
বড় আশা করে এসেছি গো
কাছে ডেকে লও
ফিরাইও না জননী।
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস
আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।
তুমিহীনতার কোন যুক্তি নেই
নিঃস্বঙ্গতার সঙ্গী নেই
তবুও ভোর এলো আমায় কাঁদাতে
দুপুর রোদে চোখে জল শুকাতে
তুমি নেই, আমার কোন অভিযোগ নেই।
আকাশভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ,
তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান,
বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥
অসীম কালের যে হিল্লোলে জোয়ার-ভাঁটার ভুবন দোলে
নাড়ীতে মোর রক্তধারায় লেগেছে তার টান,
বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥
আজ জ্যোত্স্নারাতে সবাই গেছে বনে
বসন্তের এই মাতাল সমীরণে॥
যাব না গো যাব না যে, রইনু পড়ে ঘরের মাঝে—
এই নিরালায় রব আপন কোণে।
যাব না এই মাতাল সমীরণে॥
জমজম কূপ সম্মন্ধে কিছু জানা অজানা তথ্য:
১) আল্লাহ তা'লার অসীম কুদরতে ৪০০০ বছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল।
২) ভারী মোটরের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার পানি উত্তোলন করার পরও পানি ঠিক সৃষ্টির সূচনাকালের ন্যায়।
৩) পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি, জন্মায়নি কোন ছত্রাক বা শৈবাল।
৪) সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে, মাত্র ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় কূপটি।
কথা মত কাজ করে ফেললামঃ আলামিন নামের এক পিকেটারের সাক্ষাৎকার নিলাম। ঘুম থেকে উঠে হেলতে দুলতে লেগুনায় করে মহাখালী গিয়ে নামলাম। মহাখালী থেকে ডানে বামে না তাকিয়ে সোজা বনানী ১১ নং রোডে অফিসে যেয়ে উঠলাম। কোন রকমে হাজিরা নিশ্চিত করে বেরিয়ে পড়লাম মহাখালীর দিকে একজন পিকেটারের খোঁজে।
প্রজাপতি প্রজাপতি
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি আঁকাবাঁকা।।
পদ্মার ঢেউ রে–
মোর শূণ্য হৃদয় পদ্ম নিয়ে যা যারে
এই পদ্মে ছিল রে যার রাঙ্গা পা
আমি হারায়েছি তা’রে ॥
শুক্নো পাতার নুপুর পায়ে
নাচিছে ঘূর্ণী বায়।
জল-তরঙ্গে ঝিল্মিল্ ঝিল্মিল্
ঢেউ তুলে সে যায়।।
বড় আশা করে এসেছি গো
কাছে ডেকে লও
ফিরাইও না জননী।
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস
আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।
তুমিহীনতার কোন যুক্তি নেই
নিঃস্বঙ্গতার সঙ্গী নেই
তবুও ভোর এলো আমায় কাঁদাতে
দুপুর রোদে চোখে জল শুকাতে
তুমি নেই, আমার কোন অভিযোগ নেই।
আকাশভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ,
তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান,
বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥
অসীম কালের যে হিল্লোলে জোয়ার-ভাঁটার ভুবন দোলে
নাড়ীতে মোর রক্তধারায় লেগেছে তার টান,
বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥
আজ জ্যোত্স্নারাতে সবাই গেছে বনে
বসন্তের এই মাতাল সমীরণে॥
যাব না গো যাব না যে, রইনু পড়ে ঘরের মাঝে—
এই নিরালায় রব আপন কোণে।
যাব না এই মাতাল সমীরণে॥
জমজম কূপ সম্মন্ধে কিছু জানা অজানা তথ্য:
১) আল্লাহ তা'লার অসীম কুদরতে ৪০০০ বছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল।
২) ভারী মোটরের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার পানি উত্তোলন করার পরও পানি ঠিক সৃষ্টির সূচনাকালের ন্যায়।
৩) পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি, জন্মায়নি কোন ছত্রাক বা শৈবাল।
৪) সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে, মাত্র ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় কূপটি।
কথা মত কাজ করে ফেললামঃ আলামিন নামের এক পিকেটারের সাক্ষাৎকার নিলাম। ঘুম থেকে উঠে হেলতে দুলতে লেগুনায় করে মহাখালী গিয়ে নামলাম। মহাখালী থেকে ডানে বামে না তাকিয়ে সোজা বনানী ১১ নং রোডে অফিসে যেয়ে উঠলাম। কোন রকমে হাজিরা নিশ্চিত করে বেরিয়ে পড়লাম মহাখালীর দিকে একজন পিকেটারের খোঁজে।
প্রজাপতি প্রজাপতি
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি আঁকাবাঁকা।।
পদ্মার ঢেউ রে–
মোর শূণ্য হৃদয় পদ্ম নিয়ে যা যারে
এই পদ্মে ছিল রে যার রাঙ্গা পা
আমি হারায়েছি তা’রে ॥
শুক্নো পাতার নুপুর পায়ে
নাচিছে ঘূর্ণী বায়।
জল-তরঙ্গে ঝিল্মিল্ ঝিল্মিল্
ঢেউ তুলে সে যায়।।
বড় আশা করে এসেছি গো
কাছে ডেকে লও
ফিরাইও না জননী।
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস
আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।
তুমিহীনতার কোন যুক্তি নেই
নিঃস্বঙ্গতার সঙ্গী নেই
তবুও ভোর এলো আমায় কাঁদাতে
দুপুর রোদে চোখে জল শুকাতে
তুমি নেই, আমার কোন অভিযোগ নেই।
আকাশভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ,
তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান,
বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥
অসীম কালের যে হিল্লোলে জোয়ার-ভাঁটার ভুবন দোলে
নাড়ীতে মোর রক্তধারায় লেগেছে তার টান,
বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥
আজ জ্যোত্স্নারাতে সবাই গেছে বনে
বসন্তের এই মাতাল সমীরণে॥
যাব না গো যাব না যে, রইনু পড়ে ঘরের মাঝে—
এই নিরালায় রব আপন কোণে।
যাব না এই মাতাল সমীরণে॥
জমজম কূপ সম্মন্ধে কিছু জানা অজানা তথ্য:
১) আল্লাহ তা'লার অসীম কুদরতে ৪০০০ বছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল।
২) ভারী মোটরের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার পানি উত্তোলন করার পরও পানি ঠিক সৃষ্টির সূচনাকালের ন্যায়।
৩) পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি, জন্মায়নি কোন ছত্রাক বা শৈবাল।
৪) সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে, মাত্র ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় কূপটি।
কথা মত কাজ করে ফেললামঃ আলামিন নামের এক পিকেটারের সাক্ষাৎকার নিলাম। ঘুম থেকে উঠে হেলতে দুলতে লেগুনায় করে মহাখালী গিয়ে নামলাম। মহাখালী থেকে ডানে বামে না তাকিয়ে সোজা বনানী ১১ নং রোডে অফিসে যেয়ে উঠলাম। কোন রকমে হাজিরা নিশ্চিত করে বেরিয়ে পড়লাম মহাখালীর দিকে একজন পিকেটারের খোঁজে।